শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪ ইং
  • প্রচ্ছদ

  • বাংলাদেশ

  • রাজনীতি

  • বিশ্ব

  • বাণিজ্য

  • মতামত

  • খেলা

  • বিনোদন

  • চাকরি

  • জীবনযাপন

  • শিক্ষা

  • প্রযুক্তি

  • গ্যাজেটস

  • সড়ক দুর্ঘটনা

  • ধর্ম

  • আইন আদালত

  • জাতীয়

  • নারী

  • সশস্ত্র বাহিনী

  • গণমাধ্যম

  • কৃষি

  • সাহিত্য পাতা

  • মুক্তিযুদ্ধ

  • আইন শৃঙ্খলা

  • আইন শৃঙ্খলা

  • কৃষি

    রাজবাড়ীতে আগাম সবজির বিশেষ ব্যবস্থায় বাম্পার ফলন

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি থেকে
    প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং
          206
    ছবি: রাজবাড়ীতে সব্জীর বাম্পার ফলন
      Print News

     রাজবাড়ী প্রতিনিধি:




    রাজবাড়ীতে আগাম সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। এই সবজি জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী সহ বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করছেন কৃষক। এতে লাভবান হচ্ছে সাধারণ কৃষক। লাভবান ফসল হওয়ার কারণে অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছে আগাম সবজি চাষে।  

    জেলার পদ্মা নদীর পারের এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চার পাশে শুধু সবজি আর সবজি। এসব সবজির মধ্যে রয়েছে। পটল, উসতা, করোলা, ঝিঙ্গাঁ, মরিচ, ধুনদুল, মুলা, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, বেগুন, পুঁই শাক, লাল শাক সহ বিভিন্ন প্রকার সবজি। এই সকল সবজি চাষে কৃষক বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন। উচুঁ জায়গা-ভিটা জায়গা অথবা যে সকল জায়গা সহজে বর্ষার পানি উঠে না সেখানে বাশঁ দিয়ে মাচা এবং সুতা দিয়ে চাং তৈরি করে সবজি চাষ করছেন। বীজ রোপনের জায়গায় মাটি দিয়ে ঝাড় তৈরি করছেন। 

    এসময় একাধিক কৃষক বলেন, একটি সময় পদ্মা নদীর পারের এলাকায় আগাম কোন সবজি বা ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হতো না। কারণ বর্ষার পানিতে ডুবে যেত। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে আমরা কয়েক বছর পূর্বে থেকে উচুঁ জায়গায় ঝাড় তৈরি করি এবং বাঁশ দিয়ে মাচা দিয়ে সুতা ব্যবহার করি। এতে বর্ষার পানি আসলেও ফসলের কোন প্রকার ক্ষতি হয় না। 

    এসকল কৃষক আরোও বলেন, আগাম সবজিতে অনেক লাভবান হওয়া যায় এবং বাজারে চাহিদা থাকে। ভরা মৌসুমে সকল ফসলের মূল্যে কমে চায়। এতে উৎপাদনের ব্যয় উঠানো অসম্ভব হয়ে পরে।

    পদ্মা নদীর পারের কৃষক মতি মোল্লা বলেন, আগে একটি এনজিও অফিসে চাকরী করতাম। এখন নিজের জমি চাষ করি। এতে আমি আগের চেয়ে অনেক ভাল আছি। সংসার আগের চেয়ে অনেক ভাল চলে। তিনি বলেন, আমি উচুঁ জায়গায় পটল, উসতা, বেগুন চাষ করেছি। কয়েক দিন পর বর্ষার পানি কমে গেলে ফুল কফি, পেঁয়াজ, রসুন টমেটো চাষ করবো। এখন যে সবজি চাষ করেছি এতে আমি অনেক লাভবান হতে পারছি। ব্যয়ের চেয়ে অনেক লাভবান হবো আশাকরি। অনাবাদি জায়গাও কাজে লাগাতে পারছি। 

    মোতালেল নামের এক কৃষক বলেন, কৃষি কাজের উপর আমাদের নির্ভরশীল। বর্ষার পানিতে ফসল তলিয়ে গেলে আমাদের অনেক লোকসান গুনতে হয়। তবে গত কয়েক বছর যাবৎ কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে আমরা উচুঁ জায়গা এবং বাশঁ দিয়ে জাললা তৈরি করে আগাম সবজি চাষ করছি। এতে আমরা অনেক লাভবান হতে পারছি। এই আগাম সবজি চাষে এলাকার সাধারণ কৃষক আগ্রহী হচ্ছে। 

    বাবু সরদার নামের এক কৃষক বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে এলাকার অনেকে আগাম সবজি চাষ করছেন। আমিও করেছি। এই আগাম সবজি চাষ করে আমি অনেক লাভবান হয়েছি। আশাকরি এবারও অনেক লাভবান হবো। তিনি আরোও বলেন, প্রতি বছর বর্ষার কারণে অনেক ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে বাশঁ দিয়ে মাচা তৈরি করে এবং উচুঁ জায়গায় আগাম সবজি অনেক লাভ হয় ও বর্ষার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কোন ভয় থাকে না।  

    গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. খোকনউজ্জামান জানান, গোয়ালন্দ উপজেলা পদ্মা নদীর পারে অবস্থিত। বর্ষার পানিতে অনেক ফসল তলিয়ে যেত। সাধারণ কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার পর মাচাঁ তৈরি করে এবং উচুঁ জায়গায় আগাম সবজি উৎপাদন করছেন। এতে এলাকার কৃষক নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিও করতে পারছেন।

    মুক্তির ৭১/নিউজ /শাকিল

    আপনার মন্তব্য লিখুন
    Total Visitors : 536572

    সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহিদ আজিজ

            ৪৪৮ বাউনিয়া,তুরাগ,ওয়ার্ড নং ৫২

            ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ঢাকা থেকে প্রচারিত এবং প্রকাশিত।

            যোগাযোগ -০১৭৯৫২৫২১৪২

            ইমেইল -shahidazizmoonna@gmail.com