বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ ইং
  • প্রচ্ছদ

  • বাংলাদেশ

  • রাজনীতি

  • বিশ্ব

  • বাণিজ্য

  • মতামত

  • খেলা

  • বিনোদন

  • চাকরি

  • জীবনযাপন

  • শিক্ষা

  • প্রযুক্তি

  • গ্যাজেটস

  • সড়ক দুর্ঘটনা

  • ধর্ম

  • আইন আদালত

  • জাতীয়

  • নারী

  • সশস্ত্র বাহিনী

  • গণমাধ্যম

  • কৃষি

  • সাহিত্য পাতা

  • মুক্তিযুদ্ধ

  • আইন শৃঙ্খলা

  • আইন শৃঙ্খলা

  • বাংলাদেশ

    ছোট গল্প : নৈঃশব্দের হাহাকার

    ঈশিকা মুন থেকে
    প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৩ ইং
          319
    ছবি: ঈশিকা মুন
      Print News


    ঈশিকা মুন:


    রাস্তার দু' পাশের ঘুপচি দোকানগুলোর জন্যে হাঁটাও মুশকিল মনে হয় রিতুর কাছে। লোকজনের তেরছা দৃষ্টিতে ঘেমে যাওয়া শাড়িতে আটকানো শরীর টাকে নিতান্তই ওর কাছে বোঝা মনে হয়। সবুজ কালো পাড়ের ছিড়াফাটা একটা শাড়ি কে সামলে নিয়ে কোনোমতে সে হেটে যায়। বৃদ্ধ বাবা, বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা দরজার সারি, এখান থেকে ওখান থেকে ঝুলে থাকা চড়ুইয়ের বাসা, ময়লা আর ময়লা... আর এসবেরই মাঝখানে একগাদা বাতিল জিনিস নিয়ে গড়ে ওঠা রিতুর সংসার। বাবার চোখে ছানি পড়ায় যাও একটু আধটু দোকান চালাতো এখন তাও আর সম্ভব হয়ে ওঠে না। খরিদ্দাররাও কমে গিয়েছে, ভুলো মনা, অন্ধ দোকানীর কাছ কয়জন ই বা যায়! রিতু কে সামলাতে হয় সংসার, দোকান। গ্রামের লোকেরা রিতুর বাবার কাছে বার বার ই মেয়ের বিয়ের জন্য তাগাদা দেয়। কিছুটা স্বার্থের খাতিরে ও রিতুর বাবা প্রত্যাখ্যান করে। মেয়েটা চলে গেলে তার কি হবে! আশেপাশে দু গজের মধ্যে ও কেউ থাকবে না শুধু তার পোষা কুকুর "ভুলু" ছাড়া।


    মেয়ের হাতের রান্না অমৃত মনে হয়, তার কাছে। রিতুর মা ও এমন রাঁধতো। রিতুর বয়স যখন সাত পেরিয়ে আট হবে তখন এক ব্যামো তে মারা গেলেন রিতুর মা। মেয়েকে নিয়ে রিতুর বাবা ভিটেবাড়ি ছাড়েন নি। কত লোকের কত কথা, শুনেও আগলে রেখেছেন মেয়েকে। রোদে বৃষ্টি তে না খেয়ে থেকেছেন কিন্তু মেয়ের জন্য এক মুঠো চাল দিয়ে ভাত ঠিকই জোগাড় করেছেন তিনি। এই মেয়ে তার ঘরের লক্ষ্মী তাকে তিনি পরের ঘরে দেন কি কি করে!


    রিতু ঝুড়ি, কুলো, মোড়া বোনে, তাতে অল্প কিছু যা হাতে পায় সেই দিয়ে বাবার ওষুধ পত্র তেই খরচ হয়ে যায়। নিজে একজোড়া খয়ে যাওয়া জুতা আর পুরাতন শাড়ি দিয়েই পার করে দেয় পুরোটা বছর। এই সংসারে দুর্গাপুজোয় ঢাক বাজানো শব্দ শুনবার আগে ওদের দুজনের মাথায় ই আসেনা পূজোর কথা। কি বা নতুন শাড়ি কি ই বা আর নতুন রান্না। বাবার জন্য কোনোমতে খুদের চাল থেকে একটু আধটু খিচুড়ি পাকানো আর এ দু একটা বেগুন ভাজি তেই তাদের পূজোর আমোদ সেরে যায়। নিজেরাই কষ্টে মোটে দু'বেলা খায় সেখানে বাবার পোষা কুকুর ভুলু কে পচে যাওয়া আলু ছাড়া কি আর দেবে রিতু। মাঝেমাঝেই কল্পনায় দু একটা স্বপ্নের মত ছবি দেখে রিতু তা হচ্ছে খুব সকালে জেগে হুলুস্থুল রান্নাঘর, আধোয়া বাসনের স্তূপ, নিয়ে চাবির গোটে আঁচলে পেঁচিয়ে কাজ করছে সে। নিজের মনে হেসে ওঠে সে গরীর মানুষের গরীর স্বপ্ন। বাবাকে মুড়ি আর সরষের তেল মেখে দিয়ে, উনুনে আগুন ধরায় রিতু। ভাংগা বেড়া টা ফাঁক করে কেউ একজন ঢুকলো মনে হচ্ছে।


    কে ওখানে?

    রিতু কাপড় টা গুটিসুটি করে জড়িয়ে নেয়। পাশের বাড়ির নিতাই গোঁসাই বুড়ো উঁকিঝুঁকি মারছে। রিতু কে দেখে গদগদ হয়ে কেরোসিন তেলের আবদার করে। দোকান সচারচর রিতু বন্ধ ই রাখে। ঘরের অপর পাশে জংলীর মত জায়গায় দোকান টা থাকায় সব সময় দোকান চালানোর মত অবস্থা নেই রিতুর। রান্না, কাজ সব শেষ করে আবার দোকানে বসবার এত সময় বা কই ওর। দোকান খুলে কেরোসিন তেল টা হাতে দিতেই বুড়া হাত চেপে ধরে রিতুর।


    কি করতাছেন ছাড়েন হাত। আমি কিন্তুক চ্যাঁচা।


    আরে এইরম কর ক্যা। তুমি আমার খালি একটু চাহিদা মিটাও তোমারে পূজায় নতুন শাড়ি ধাই গরু আর বকনা বাছুর ও লগে দিতাম।


    আপনে কিন্তু বেশি করতাছেন।


    আইচ্ছা যাও তোমার বাপরে ও নতুন ধুতি আর ভালো মন্দ খাওয়ামুনে।


    রিতু ধাক্কা মেরে বুডাকে ফেলে দোকান আধখোলা রেখে বাড়ির মধ্যে চলে যায়। ধূপকাঠির ডগায় লাল আলো জ্বলছে ধিকিধিকি। দুপুরের সেই স্মৃতি টুকু রিতুকে এই আগুনের মত জ্বলাচ্ছে। মা মরা মেয়ে,কত নজর সহ্য করে এত বছর টিকে আছে। যারা ভালোবাসে স্নেহ করে তাদের ও লোলুভ দৃষ্টি বারবার টের পেয়েছে রিতু। বাবাকে শুইয়ে দিয়ে রাতে নিজের পাটিতে চুল মেলে রিতু সবে শুয়েছে হঠাৎ শুনতে পেলো গোঙানির শব্দ। ঠিক তাদের বাড়ির উঠোনে নিমগাছের কোণা থেকে। প্রদীপ টা হাতে নিয়ে বাইরে গিয়ে সে দেখে, অল্পবয়সী এক যুবক বয়স পঁচিশ কি সাতাশ হবে, মাথার চুল এলোমেলো, মুখে দাড়ি ভর্তি। পা থেকে অনর্গল রক্ত জড়ছে আর ব্যাথায় কাতরাচ্ছে। ভয়মিশ্রিত কন্ঠে রিতু তার পরিচয় জানতে চাইলে লোকটা জল চাইলো। তড়িঘড়ি করে রিতু বাবাকে ও ডেকে তুললো দুজনে মিলে লোকটাকে তাদের ঘরের ভিতর এনে বসালো। রিতু তার পুরাতন কাপড় এর অংশ ছিড়ে লোকটার পায়ে বেধে দিল যাতে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। বাবা মেয়ে দুজনের ভয়ার্ত চেহারা দেখে লোকটা কস্ট করে কথা বলা শুরু করলো।


    -আমি একজন নকশাল। গতকাল ভোর থেকেই পুলিশের লোক মরিয়া হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে। অগত্যা এই যাত্রা।



    আপনার পায়ে জখম কিভাবে হলো?

    কাঁটাবনে পা কেটে গিয়ে। বিলের মধ্যে ডুবে ও ছিলাম সেই সারা সকাল।

    এ মা! সারাদিন কিছু থান নি তবে?

    জ্বি না। আজকে রাত টা আমাকে যদি একটু আশ্রয় দিতেন।

    রিতু আর তার বাবা চোখাচোখি করে ইশারায় বুঝে নিল ভাষা। রিতু লোকটাকে জল খাবার এনে দিল। খাবার সামনে পেয়েই লোকটা সব শেষ করে ফেললো। আহারে! এত তৃপ্তি করে খেতে দেখেনি রিতু কাউকে।


    পরদিন সকালে রিতু দেখে লোকটা বেদম জ্বরে চিত হয়ে পড়ে আছে। জলপট্টি দিয়ে সে পুকুরের দিকে চলে গেল। রাস্তায় সবার চোখেমুখে নতুন এক আতংক। পথের ধারে কুকুর মরে পড়ে আছে শকুল এর আনাগোনা হচ্ছে অনেক। শকুন গুলো তবে বিপ্লবী দের মাংস তুলে নিতে চলে এল!


    রিতু অতসত বোঝেনা,কিন্তু বাবা মার আচল ছেড়ে লাঠিপেটা খেয়ে এই যে তরুণ যুবকেরা সাধারণ কৃষকদের জন্য ঘর ছেড়েছে নিশ্চয়ই এর পিছনে বড় কোনো কারণ আছে। দরদ ভরে ওঠে রিতুর মনে। এ কথাও রিতুর বোঝার উপায় ছিল না যদিনা সে মাস্টার মশাইয়ের ছেলে রঞ্জুর সাথে কথা না বলতো। অমন বড় ঘরের ছেলে, কি নিয়ে লড়ছে, কেন বা লড়ছে রিতু জানবেই বা কি করে। শুধু রিতু এতটুকুই বুঝে ওদের মত গরীব মানুষদের জন্য এরা মারছে লড়ছে। কয়েক বিঘে জমি পানির নিচে, চাষীদের লাঠি কেড়ে নিয়েছে গরীব খেটে খাওয়া মানুষগুলা না খেয়ে মরতে বসেছে। এদের জন্য আর কেউ কিছু না করুক যাদের রক্ত গরম তারাই না হয় একটু পথে নামলো।


    এ আর এমন কি! বাড়ি ফিরে রিতু বাবাকে জলখাবার দিতে যায়।


    হ্যা রে রিতু ছেলেটার দেখি জ্বর এ গতিক নেই। দিয়েছিলি খাবার কিছু?

    না বাবা। কি রে চলে যেতেই বা এখন বলি।


    কি বলছিস তুই। যা জোটে তাই খাবো। তাই বলে অসুস্থ মানুষকে তাড়িয়ে দিস নে।


    রিতু ঘরের মধ্যে ঢুকে জলখাবার খাইয়ে দেয় লোকটাকে। দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে। লোকটা নিবু নিবু আলো দেখে তার ঝুলিটা হাতে নিয়ে রওনা দেয়। রিতুর বাবা তাকে দেখে ডাক দেয়।


    আপনাদের ই খুজছিলাম। আমি তাইলে চলি।


    তুমি কোথায় যাচ্ছো? অসুস্থ শরীরে বাইরে যাওয়া তোমার ঠিক হবেনা গো বাপধন ।


    আমাকে আশ্রয় দিয়ে বিপদে পড়বেন আপনারা তা আমি চাচ্ছিনা। -আমরা মোটে দু'টা মানুষ যা পারি অন্ন জুটাতে তাই না হয় খেয়ে পড়ে থাকলে। তা তোমার নাম কি হে?


    জ্বি। আমার নাম তপু। আমি মুসলমান ঘরের সন্তান।


    সংসারে কে আছে তোমার?


    মা আছেন, বাবা গত হয়েছেন সেই কবেই। বাবার আদর্শ নিয়েই লড়াইয়ে নেমেছি। বিয়াল্লিশ এর আন্দোলন এ বাবাকে হারিয়েছি। ব্রিটিশ রাজ এর সময় কত জেল খেটেছে বাব। স্বাধীনতা এর নাম নিয়ে চলে গেল আমাদের থেকে দূরে আর পেলাম না। সেই স্বাধীনতা পেয়ে ও আজ যখন আমাদের এই দশা তখন আর বসে থাকতে পারলাম না। রক্তের মধ্যেই বিদ্রোহ রয়েছে কাকু।


    বাবা যে কেন লোকটাকে আশ্রয় দিচ্ছেন রিতু বুঝে উঠেনা। মোটে দু মুঠো খেয়ে পড়ে যারা বাঁচে তারা আরেকজনের ভার কিভাবে নিবে! লোকটা তবে মুসলমান এ শুনে রিতুর বুকে কেমন জানি দু্যুম করে উঠলো। বাবা ও বা যাচ্ছেতাই এখন সংসারে আরেকটা প্রাণীর জন্য তার চিন্তা বেড়ে গেল। তপু পার্টিতে যায় আসে। পার্টিতে অবশ্য তার নাম ভিন্ন। কয়েকদিন বাড়িতে ফেরেই না। তখন রিতু আর তার বাবার বুক কেঁপে ওঠে এক অজানা ভয়ে। অন্যদিকে অনুড়া মেয়ে সংসারে আরেক মরদ এ নিয়ে কানাকানি রটারটির শেষ নেই। তপু তিনদিন পর বাড়িতে ফিরলে রিতু জানতে চায় তার কি হয়েছিল? তপু যতবারই রিতুকে দেখে তার কাছে মনে হয় হাজারখানেক প্রদীপ জ্বলে উঠেছে। মেয়েটা এত সুন্দর কেন!


    রিতু, আগুনের আচ গায়ে লাগলে কেউ নিরুপায় হয়ে বসে থাকেনা।


    সাদামাটা চেহারার তপু কে দেখলে কত শান্ত মনে হয় অথচ কি ভয়ংকর ক্ষুরধার বিদ্রোহী এক রুপ তার! রিতু এই কথার কিছুই বুঝেনা। মাঝেমধ্যে লোকটা এসব কি যে, স্তালিন, মার্ক্স শ্রেনীসংগ্রাম কি যে বলে রিতুর মাথার উপর থেকে যায়। রিতুর তপুকে বড্ড ভালো লাগে। নাম নেই সম্পর্কের, অথচ তেল-নুন, চিরুনি ভাগাভাগি এক অদ্ভুত সংসার।


    দূরে কোথাও গুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, রিতুর শরীর গুলিয়ে আসে। তপু সেদিন সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে নেই। গভীর রাতে বুটের আওয়াজ আশে তাদের আশেপাশে। বাপ মেয়ে মিলে জড়োসড় হয়ে বসে থাকে ভয়ে। দরজায় কেউ একজন হিংস্র ভাবে যা দেয়। রিতুর বাবা দরজা খুলতেই বুটজোতার লাথিতে পড়ে গেল। রিতুর চুলের মুষ্টি ধরে প্রশ্ন করতে লাগলো একজন সিপাহি।


    বাড়িতে জায়গা দিয়েছিস যে হারামজাদা কে কোথায় সে।


    রিতুর বাবা পুলিশ অফিসারটির পা জাপটে ধরে রাইফেলের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে এক সিপাহি। রক্ত গড়িয়ে চোখে মুখে লাগে রিতুর বাবা তাও বলে চলে। 


    মাসতুতো বোনের ছেলে মা মারা গিয়েছে দূকুলে কেউ নেই তাই জায়গা দিয়েছি। ও কোনো পার্টি ফার্টিতে নাই। আমাদের ছেড়ে দেন


    ঘর তল্লাশি চলে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ায় হুমকি দিয়ে চলে যায় তারা। পাশের গ্রামের মনোহর বাবুর ছেলেকে মেরে ফেলেছে এরা। রিতুর মনে ঘৃণা জন্মে। অথচ ছেলেটা কারো সাতে ও এই পাচে ও নেই। শুধুমাত্র সন্দেহের বশে মেরে ফেললো! জীবনের মূল্য এত কম!


    সকাল থেকে প্রবল জ্বরে রিতুর বাবার হুশ নেই। তপুও ফেরেনি। হতাশায় কষ্টে রিতুর মগজে চাষ হচ্ছিল নতুন এক দিক। তপুর একটা কথা রিতুর কানে আওয়াজ তুলছিলো, সভ্য সমাজের কর্তামশাইরা শীর্ষে বসে শোষণের সুঁতো ধরে রেখে নাচাচ্ছে পুতুলের মত ওদের মত মানুষকে। রিতু ভাবলো জন্ম থেকে ক্ষূধায়, অপমানে তিরস্কারে, শরীরে মননে সব ভাবেই শুধু মার খাচ্ছে।


    বাবা মারা গেলেন সেই দিন বিকালেই। তখন ই সান্তনার ছলে কত লোক তার শরীর ছুঁয়ে গেল। বাবার ছাই হাতে নিয়ে দিন পার করতে না করতেই রিতুর রক্ত ছটফট করতে লাগলো খই এর মতন। রিতুর হঠাৎ মাথায় আসলো মহাভারতে পান্ডবরা বাহ্মান এর ছদ্মবেশে বারণাবত থেকে নানা দেশে পালিয়ে বেড়াতেন। রিতু একটা পোটলায় তার দু চারটে জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি ছাড়লো।


    মাসখানিক পর,


    মিত্তির লেনে, রেডিও তে গমগম আওয়াজ চলছে। শাড়ি পরিহীতা রিতু কাঁধে ব্যাগ নিয়ে, বের হতে চলছে বাহিরে। হঠাৎ রেডিও টা থেকে আওয়াজ বেরুলো।


    "আজ এখানে প্রাপ্ত এক সংবাদ থেকে জানা যায় যে গতকাল রাতে পাঁচজন সশস্ত্র নকশাল যুবকের আক্রমণে বরিশাল জেলার হারতা পুলিশ ফাড়িতে একজন পুলিশ নিহত এবং দুজন সিপাহী গুরুতর আহত হয়েছে। "


    রিতুর মুখে বাকা হাসি খেলা করে। অনেকদিনের তৃপ্তির হাসি। হাতের ছোরা টা ব্যাগে ভরে বের হয়ে যায় সে।


    আপনার মন্তব্য লিখুন
    Total Visitors : 566632

    সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহিদ আজিজ

            ৪৪৮ বাউনিয়া,তুরাগ,ওয়ার্ড নং ৫২

            ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ঢাকা থেকে প্রচারিত এবং প্রকাশিত।

            যোগাযোগ -০১৭৯৫২৫২১৪২

            ইমেইল -shahidazizmoonna@gmail.com