রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং         ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • মেনু নির্বাচন করুন

    ঝালকাঠিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভেঙ্গে অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন


    প্রকাশিতঃ 20 Jul 2022 ইং
    ভিউ- 536
    শেয়ার করুনঃ

     ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ 


    ঝালকাঠির রাজাপুরে অন্যকে ফাঁসাতে বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভেঙ্গে নিজেই ফেঁসে গেলেন ফিরোজ খান নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার বদনিকাঠি বাজারের ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজ খান উপজেলার বদনিকাঠি এলাকার মৃত আশ্রাব আলী খানের ছেলে।


    সরেজমিনে স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামীলীগ অফিসের ঘর মালিক ফিরোজ খান। অফিসের তিন টি চাবির একটি দুলাল ব্যাপারী, একটি মো. লাকসু খলিফা ও একটি মো. আলমগীর খলিফার কাছে থাকে। লাকসু ও আলমগীর তাদের দুইটি ব্যাটারি চালিত রিক্সা ঐ অফিসের মধ্যে রেখে চার্জ দেয়। সোমবার রাত আনুমান সাড়ে ৯টার দিকে সর্বশেষ লাকসু তার অটোরিক্সা চার্জে লাগিয়ে অফিস তালাবদ্ধ করে বাড়ি চলে যায়। ফজরের নামাজ শেষে ফিরোজ খানকে বাজার থেকে বাড়ি যেতে দেখে মুসল্লিরা। পরে সকালে অফিসের তালা খোলা ভিতরে  বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবির গ্লাস ভাঙ্গা অবস্থায় নিচে পরে থাকতে দেখা যায়। এ ঘটনায় ফিরোজ খানের সাথে দুলাল, কামরুল, মঞ্জিল, মাহবুব জড়িত রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী। 


    বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী দফায় দফায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


    অটোরিক্সা চালক মো. লাকসু খলিফা জানায়, সকালে রিক্সা বাহির করতে বাজারে আসলে ভাংচুরের ঘটনা দেখে ওখানেই সে থেকে যায়। এ সময় ফিরোজ খান এসে লাকসুকে বলে অফিসের নতুন তালাটাকে সরিয়ে রাখ, ওখানে পুরাতন তালা রেখেছি যাতে মনে হয় তালা ভেঙ্গে এ কাজ করছে। 


    দুলাল ব্যাপারী জানায়, গত সোমবার বিকালে স্থানীয় শহীদ সিকদার ও ইয়াসিন সিকদারের মাধ্যে জমির সিমানা ও গাছ নিয়ে বিরোধের মিমাংশা করতে আসে ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজালাল হাওলাদার। তখন দুলাল অফিসের তালা খুলে চাবি অফিসের পাসের দোকানে রাখে। পরে চাবির ব্যাপারে আর কিছু জানেনা।


    স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন খান জানায়, সকালে বাজারে এসে লোকমুখে জানতে পারে আওয়ামীলীগ অফিসের ব্যবহৃত তালাটি খোলা অবস্থায় সাটার বন্ধ। ভিতরে প্রবেশ করে অফিসে থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু  এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ছবি অফিসের ফ্লোরে একটি ছবির উপর অপর একটি ছবি যাহার দুইটিরই গ্লাস ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া যায়।


    মো. ফিরোজ খান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সবাই আমাকে ঝামেলায় ফালানোর জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছে।


    রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে ঘটনার সাথে কাউকে জড়িত পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    মুক্তির ৭১/ সায়েম


    আপনার মন্তব্য লিখুন
    © 2022 muktir71news.com All Right Reserved.