রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং         ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
  • মেনু নির্বাচন করুন

    খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালায় মাথা বিহীন লাশ উদ্ধার


    প্রকাশিতঃ 10 Jun 2022 ইং
    ভিউ- 220
    শেয়ার করুনঃ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ



    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় এক বৃদ্ধের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।



    জানা গেছে,  মরদেহটি একই এলাকার ক্ষুদ্র মুদি দোকানী জাহাঙ্গীর আলমের। তার পিতা-মৃত রবিউল ইসলাম। নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৫০) উপজেলার পূর্ব হাজাছড়া গ্রামের মৃত সফি উল্লাহর ছেলে। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ডেবার পাড় এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও নিহতের মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।


    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ জুন) সকালে হাজাছড়া যাওয়ার পথে ডেবার পাড়ে নিহতের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মাথা বিহীন লাশ উদ্ধার করেন। এসময় তার সাথে থাকা আলু, ডাল, বিস্কুট ইত্যাদি পাওয়া যায়।


    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, বাজার থেকে ফেরার পথে মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটতে পারে।


    ঘটনার খবর পেয়ে খাগড়াছড়ি সদর সার্কেল জিনিয়া চাকমা এবং দীঘিনালাc থানার অফিসার ইনচার্জ একে এম পেয়ার আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।


    নিহতের স্ত্রী খাদিজা বিবি (৩৫) জানান, তার স্বামী উদ্দীনের দোকানে কারিগর হিসেবে চাকরি করতো। সেখানে বেতন বাড়ানো নিয়ে দুজনের সাথে ঝগড়া হয়। পরে সেখানে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ৯ মাস আগে নতুন করে নিজেই দোকান দেয়।


    নিহতের শ্বশুর জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমার মেয়ে জামাই জাহাঙ্গীর আলম খুবই সহজ সরল মানুষ। কেনই বা তাকে নির্মমভাবে খুন করা হলো জানিনা।


    এ ব্যাপার জাহাঙ্গীর আলম দুলাল (সাবেক মেম্বার) জানান, নিহতের মাথা উদ্ধার করার জন্যে আমার পুকুরে জাল টেনেছি। কিন্ত মাথা খুজে পাওয়া যায়নি।


    ১ নং মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহামুদা বেগম লাকী জানান, সবার কাছে শুনেছি, তিনি খুবই ভালো লোক ছিলেন, তার পরিবারে স্ত্রী ছাড়াও সাদিয়া আক্তার (১১) ফাহিমা আক্তার (৬) এবং মহিমা আক্তার (১) তিন কন্যা সন্তান রয়েছে।


    মেরুং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মাথা এখনো উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।


    আপনার মন্তব্য লিখুন
    © 2022 muktir71news.com All Right Reserved.