হঠাৎ করেই তাসনিম-বার্গম্যানদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেনো তন্ময় আহমেদ?

হঠাৎ করেই তাসনিম-বার্গম্যানদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেনো তন্ময় আহমেদ?
2021-07-17

জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের বর্বরোচিত হামলার পর ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া তন্ময় আহমেদকে নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তাসনিম খলিল ও ডেভিড বার্গম্যানরা। কিন্তু কেনো? কারণ বরাবরই তারা পরিকল্পিতভাবে তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দিকভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, তাদের সরকারবিরোধী ও দেশবিরোধী অপতৎপরতা, গুজব ও উস্কানির বিপরীতে নিয়মিতই সক্রিয়ভাবে অনলাইনে সত্য তথ্য পরিবেশন করে চলেছেন তন্ময় আহমেদ। 


তাই নেত্র নিউজ গং দেশের প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর মানহানি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির যে একচেটিয়া অপচেষ্টা ও নতুনপ্রজন্মের ব্রেনওয়াশের চেষ্টা করে; সেখানে তাদের প্রোপাগান্ডার বিপরীতে অনলাইননির্ভর তরুণপ্রজন্মের সামনে যুক্তিযুক্ত সত্য তথ্য প্রদান করে ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করেন তন্ময়। একারণে ডিজিটাল প্রজন্মের সচেতন তরুণ-তরুণীরাও তাসনিম-বার্গম্যান গংদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে, উল্টো প্রতিবাদ করে বসে। একারণে এই বিশাল ডিজিটাল প্রজন্মের মধ্যে তন্ময় আহমেদকে বিতর্কিত করতে এবং তার গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করার সুপরিকল্পিত অপপ্রয়াস থেকেই তারা তন্ময় আহমেদের পেছনে লেগেছে।        


২০১২-১৩ সালে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বুয়েট ক্যাম্পাসকে জামায়াত-শিবিরের হাত থেকে রক্ষা করার মূল নায়ক হিসেবে পরিচিত তন্ময়কে নিয়ে সম্প্রতি নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে তাসনিম-বার্গম্যান গং। এতোদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও সেনাবাহিনী নিয়ে গুজব ছড়ানোর ক্রীড়নকরা হুট করেই তন্ময়কে টার্গেট করে তার ইমেজহানি করতে চাচ্ছে। এর মূল কারণ হলো,  নতুন প্রজন্মের আওয়ামী ঘরানার অ্যাক্টিভিস্ট ও বিএনপি-জামায়াত বিরোধী ডিজিটাল কিশোর-তরুণদের মধ্যে তন্ময় আহমেদের নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করা। মূলত তন্ময়কে বিতর্কিত করে, অনলাইনে জামায়াত-বিএনপি-আইএসআই এজেন্টদের বিরুদ্ধে তন্ময়ের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে সমর্থন জানানো থেকে ডিজিটাল প্রজন্মকে দূরে রাখতে চায় তারা। প্রত্যক্ষভাবে তন্ময়কে টার্গেট করলেও, তাদের অন্যতম পরোক্ষ লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের অ্যাক্টিভিস্টদের কণ্ঠস্বর চেপে ধরা। 


তন্ময়ের ওপর তাসনিম খলিলদের ক্ষোভের আরো অনেক কারণ: 


সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় আহমেদকে টার্গেট করার পেছনে বহুমাত্রিক কারণে রয়েছে। নতুনদের জানার সুবিধার জন্য, পুরনো কারণগুলো নিচে সংক্ষেপে লেখা হয়েছে। আর নেত্র নিউজ নামক প্রোপাগান্ডা ওয়েবসাইটের তথাকথিত সম্পাদক তাসনিম খলিলের উত্তেজনার সাম্প্রতিক কারণগুলো হলো: অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারবিরোধী একচেটিয়া প্রোপাগান্ডা ছড়াতে তীব্রভাবে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া। করোনা মহামারিকালে বাংলাদেশে গণমৃত্যুর আতঙ্ক সৃষ্টি করে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চেয়েছিল বিএনপি-জামায়াত ও তাদের বিদেশি এজেন্টরা। এমনকি টিকাবিরোধী গুজব সৃষ্টি করে মানুষকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছে টিকা নেওয়া থেকেও। কিন্তু অনলাইনে অবিরত সরকারের প্রতিটি প্রচেষ্টার কথা ফলাও করে প্রচার করেছে তন্ময়রা। 


এছাড়াও সেনাবাহিনী ও সরকারের বিরুদ্ধে সরলপ্রাণ জনতাকে উস্কে দেওয়ার অব্যাহত প্রচেষ্টাও করেছে এই তাসনিম-বার্গম্যান গং। শুধু তাই নয়, জাতীয় স্বার্থ ও ঐতিহ্যবিরোধী প্রচারণা উস্কে দিয়ে উগ্রবাদীদের মাধ্যমে একাধিকবার দেশকে অস্থিতিশীল সর্বোচ্চ চেষ্টাও করেছে এই কুচক্রীরা। কিন্তু তন্ময় আহমেদ ও নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা সর্বদাই অনলাইনে থেকে তাদের গুজব প্রতিহত করেছে এবং প্রতিটি ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে সত্য তথ্য উপস্থাপন করেছে জনগণের সামনে। একারণে নেত্র নিউজের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের আন্তর্জাতিক এজেন্টদের একচেটিয়া গুজব ও উস্কানির একাধিক পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায়। ফলে অনলাইনে সক্রিয় ডিজিটাল প্রজন্মের কাছ থেকে তন্ময় আহমেদকে দূরে সরাতে নতুন এজেন্ডা নিয়ে অপপ্রচারে নেমেছে তারা।



তন্ময় আহমেদ: বুয়েটকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার মূল নেতা 


নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তুমুল জনপ্রিয় ভোটে জিতে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালে গঠিত এই সরকারের মেয়াদের সাড়ে তিন বছর পার হতেই মাঠের দখল নিতে প্রকাশ্য হতে শুরু করে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে সরকার বদলানো যাবে না বুঝতে পেরে, দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করার মিশনে নামে তারা। এজন্য ২০১২ সালের জুন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করার কাজ শুরু করে তারা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে, বুয়েটে ভিসিবিরোধী আন্দোলনের ছদ্মবেশে, সরকারবিরোধী অপতৎপরতা শুরু করে বিএনপি-জামায়াতের কুশীলবরা। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে ব্যাপক জনসমাবেশ করে অচলাবস্থা সৃষ্টি করে শিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু দাফতরিক তথ্য প্রমাণের অভাবে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছিলো না। ফলে সময়ের সাথে সাথে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারবিরোধী আন্দোলনের জাল ছড়াচ্ছিরো তারা। তাদের মূল টার্গেট ছিল, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দখল নেওয়া এবং সেগুলোকে মিনি-ক্যান্টনমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা।

মুক্তি / রুমেল।

  •   ঘটনা সত্য নাটকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ
  •   আমি এখন একজন মধ্য বয়সী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা-জয়
  •   আজ ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক সজিব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন
  •   খুলনার দুর্বৃত্বের হামলায় যুবক নিহত
  •   বিভাগ হয়নি কুমিল্লা,দিনভর ফেসবুকে গুজব
  •   মৌখিক পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই দ্রুত ৪ হাজার চিকিৎসক ও ৪ হাজার নার্স নিয়োগ
  •   কল পেলেই ছুটে যান একদল তরুণ
  •   গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ
  •   সারাদেশে ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকার কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  •   উপজেলা হচ্ছে মাদারীপুরের ডাসার, কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ

  • 1 1 9 6 8 2 3 5
    Our Visiting Hits



    মোহাম্মাদ শাহিদ আজিজ
    সম্পাদক


    এস এম ইউসুফ আলী
    উপদেষ্টা সম্পাদক


    জোহরা আকতার( নুসরাত চৌধুরী)
    নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক


    মোঃ ইয়ামনি চৌধুরী
    বার্তা সম্পাদক


    জোহরা আকতার কতৃক, ৪৪৮ বাউনিয়া,তুরাগ,ওয়ার্ড নং ৫২,
    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ঢাকা থেকে প্রচারিত এবং প্রকাশিত।
    করপোরেট অফিস- মনোয়ারা ভ্যালী, একাডেমি রোড বনানী পাড়া ফেনী
    যোগাযোগ -০১৩১৯০২৭৯২৯, ০১৮৫৭৯৮৭৮০০, ০১৯১৯১৫৯৯৬১
    ইমেইল-info@muktir71news.com
    Copyright © 2019-2021. muktir71news.com All Right Reserved.
    Developed By  SKILL BASED IT [ SBIT ]